বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এপি।
এপি বলেছে, গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামোতে হামলার আগেও বাহরাইন থেকে নিজেদের জাহাজ সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
বার্তাসংস্থাটি আরও বলেছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মনে করে যুক্তরাষ্ট্র এখন এমন পর্যায়ে আছে যেখান থেকে তাদের ফিরে আসার সুযোগ নেই। অর্থাৎ ইরানে তারা হামলা চালাবে। আর এমন হামলার ঠিক আগ মুহূর্তে ইসরায়েলি সেনাদের অবহিত করা হতে পারে।
যুদ্ধের শঙ্কার মধ্যেই আজ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় তৃতীয়বারের মতো পরোক্ষ আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এতে মধ্যস্থতা করছে ওমান।
যদিও আলোচনা চলছে কিন্তু তা সত্ত্বেও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার শঙ্কা রয়ে গেছে। বলা হচ্ছে, যে কোনো সময় হামলা শুরু হতে পারে।
সংবাদমাধ্যম মিডেল ইস্ট মনিটর জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সামরিক শক্তি জড়ো করেছে। ইতিমধ্যে ইসরায়েলে পৌঁছেছে তাদের ১২টি এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমান।
অবসরপ্রাপ্ত এক সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবে, এমন সম্ভাবনা কমে আসছে। এখন দেখার বিষয় হামলা কিভাবে হয়, কোনদিক থেকে হয় এবং কতটা তীব্র হয়।
সূত্র: এপি