“তারেকের প্রত্যাবর্তন ও খুলনার বার্তা: বিএনপির ভবিষ্যৎ পথচলার ইঙ্গিত”
“২২ বছর পর জনসমক্ষে নেতার প্রত্যাবর্তন, জনস্রোত ও রাজনৈতিক ভাষণে বদলে যাওয়া নির্বাচনী সমীকরণ”
সারাদেশে সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে নড়াইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই ২০২৫) বিকেলে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে নড়াইলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই ২০২৫) বিকাল ৪টায় নড়াইল চৌরাস্তার দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি পুরাতন বাসটার্মিনাল পর্যন্ত যায়। সদর, লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মীরা ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে মিছিলে অংশ নেন।
মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে শেষ হয় পুরাতন বাসটার্মিনাল এলাকায়, যেখানে মুক্ত মঞ্চে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মুঞ্জরুল সাঈদ বাবুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আরিফুজ্জামান মিলনের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মনিরুল ইসলাম।
প্রধান বক্তা ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল আহমেদ কোরেশী আসাদ।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন—জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এস এম আব্দুল হক
বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারের প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম অবনতির দিকে যাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত সহিংসতা, লুটপাট ও হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক প্ররোচনা রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হলে তার দায় সম্পূর্ণভাবে সরকারের ওপরই বর্তাবে।
তারা দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে যেকোনো পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকতে এবং জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
“২২ বছর পর জনসমক্ষে নেতার প্রত্যাবর্তন, জনস্রোত ও রাজনৈতিক ভাষণে বদলে যাওয়া নির্বাচনী সমীকরণ”
নড়াইলকণ্ঠ ডেস্ক ॥ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নড়াইল জেলার দুইটি সংসদীয় আসন-নড়াইল-১ (৯৩) ও নড়াইল-২ (৯৪)-এ ভোটের মাঠে তৈরি হয়েছে ভিন্নধর্মী প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১২ তারিখে দুটি ভোট। একটা ভোট হচ্ছে জুলাই বিপ্লবকে বুকে আঁকড়ে ধরার জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট। জুলাই আছে তো ২৬ এর ইলেকশন আছে। জুলাই যেখানে নাই ২৬-এ কোনো নির্বাচন নাই।