শনিবার (৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে গত ২৫ মার্চ ২৬ ইং তারিখে মিসেস রাশিদা আহমেদকে শোকজ নোটিশ প্রদান করা হয। সংগঠনের শৃঙ্খলা ও নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সংগঠনের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সেন্ট্রাল কো-অর্ডিনেটরের বিরুদ্ধে সংগঠনের আদর্শ ও কার্যক্রমের পরিপন্থী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠে আসছিল। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।
এ বিষয়ে সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা বলেন, সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সুষ্ঠু পরিবেশ ধরে রাখতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যতেও কেউ সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য,বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ সংবিধানের ধারা ১৫ (ঘ) এ উল্লেখিত ক্ষমতা বলে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। এছাড়া রাশিদা আহমেদকে কাছে পরিষদের আইডি কার্ড, রিবনসহ অন্যান্য মালামাল ফেরত দেওয়ার জন্য ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে হস্তান্তর করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। রাশিদা আহমেদের সাথে কেউ যদি কোন প্রকার লেনদেন করেন তাহলে নিজ দায়িত্বে বুঝে শুনে করবেন । বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের সাথে রাশিদা আহমেদের কোন সর্ম্পক নেই।