সড়ক দখলমুক্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
সড়ক ও মহাসড়কের উভয়পাশে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী হাট-বাজার, দোকানপাট এবং নানাধরনের অবৈধ স্থাপনা। ফলে প্রতিদিন বাড়ছে যানজট, দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগ।
ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য ও আদায়ে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন ২০২৩’ বিল উত্থাপন করা হয়েছে। বিলের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ২৫ বিঘা পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফের বিধান রাখা হয়েছে ।তবে ২৫ বিঘার বেশি জমির মালিক হলে পুরোটারই ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে। বাংলার পরিবর্তে ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ওই কর আদায় করা হবে।
বৃহস্পতিবার (০৬ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।স্পিকার ড . শিরীন শারমিন চৌধুরীর অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।এর আগে বিলের ওপর আপত্তি জানান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মো . ফখরুল ইমাম।সেই আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। বিলটি অধিকতর পরীক্ষা - নিরীক্ষার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বিলটি উত্থাপনকালে ভূমিমন্ত্রী বলেন , প্রস্তাবিত বিলটি আইনে পরিণত হলে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে সর্বসাধারণ উপকৃত হবেন এবং স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়ক হবে। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে , ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য ও আদায়ের লক্ষ্যে নতুন আইনপ্রণয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ভূমি উন্নয়ন কর আইন - ২০২৩ ’ শীর্ষক আইনে এ জনস্বার্থে ২৩টি ধারা সন্নিবেশ করা হয়েছে।এ ছাড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা , উত্তরাধিকারী , কালেক্টর ইত্যাদি সংজ্ঞাকে যুগোপযোগী করা হয়েছ। প্রস্তাবিত আইনে কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন করের হার ২৫ বিঘা পর্যন্ত মওকুফ রাখার বিধান রয়েছে এবং অকৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন করের হার সরকার সময় সময়ে গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা পুনর্নির্ধারণ করতে পারবে মর্মে বিধান রাখা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে , প্রস্তাবিত আইনে জনগণের সুবিধার্থে ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য জুলাই - জুন অর্থাৎ অর্থবছরকে কর বৎসর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।আগে পয়লা বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত সময়ের জন্য ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হতো। এখন সেটা হবে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত।
সংসদে উত্থাপিত বিলে কার কত ভূমি উন্নয়ন কর , তা আগেই জমির মালিককে জানিয়ে দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে। ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবহারভিত্তিক হবে।প্রতি বছর কার কত ভূমি উন্নয়ন কর , সেটা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা তালিকা তৈরি করে সহকারী কমিশনারের ( ভূমি ) কাছে পাঠাবেন। সহকারী কমিশনার ( ভূমি ) তা নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেবেন।এ বিষয়ে যদি কারো আপত্তি থাকে , সেটা তিনি দায়ের করতে পারেন।তিনি এসিল্যান্ড ও জেলা কালেক্টরের কাছে আপত্তি জানিয়ে আবেদন করতে পারেন। জেলা কালেক্টর ( ডিসি ) তা ১৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
প্রজ্ঞাপন দিয়ে বিশেষ সময়ে ( মহামারী , দুর্বিপাক ইত্যাদি ) ভূমি উন্নয়ন কর কমানোর সুযোগ রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে, এ ছাড়া বিলের বিধান অনুযায়ী , কোনো ভূমির মালিক টানা তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে তাকে প্রথম বছর থেকে তৃতীয় বছর পর্যন্ত সোয়া ৬ শতাংশ হারে জরিমানাসহ কর পরিশোধ করতে হবে।
সড়ক ও মহাসড়কের উভয়পাশে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী হাট-বাজার, দোকানপাট এবং নানাধরনের অবৈধ স্থাপনা। ফলে প্রতিদিন বাড়ছে যানজট, দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগ।
স্টাফ রিপোর্টার: ন্যায় চাই, সত্য চাই, বাঁচতে চাই—মানবিক সহযোগিতা চাই”—এই আকুতি জানিয়ে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কাচিনা এলাকার ভুক্তভোগী সালমা বেগমের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন নতুন বাংলা সাধারণ জনতার জোটের চেয়ারম্যান মোঃ আকবর হোসেন ফাইটন।
নিজস্ব প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সকল সরকারি কর্মচারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। তবে শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।