সড়কে সচেতনতা- লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
সড়কে বাড়ছে ভিড় বাড়ছে হাহাকার সচেতনতা ছাড়া উপায় নেই যে আর, ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালকের অদক্ষতা সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা হতাহতের সংখ্যা।
চারপাশে কোথাও খোলা মাঠ, রাস্তার ধারে, বা ফাঁকা জমিতে হঠাৎই দেখা মেলে এক ধরনের গুল্মজাত উদ্ভিদের—যার নাম “আকন্দ”। অনেকেই হয়তো জানেন না, এ গাছ শুধু পথের ধারে জন্ম নেয়া আগাছা নয়, বরং এতে রয়েছে নানা উপকারি গুণ। আকন্দের ফুল যেমন দেখতে মনকাড়া, তেমনি এর রয়েছে ঔষধি ও পরিবেশবান্ধব বৈশিষ্ট্যও। চলুন, জেনে নিই আকন্দ গাছের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক।
Table of contents [Show]
আকন্দ গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Calotropis gigantea। এটি সাধারণত ভারত, বাংলাদেশ, নেপালসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উষ্ণ অঞ্চলগুলোতে নিজে থেকেই জন্মায়। খোলা জায়গা, অনাবাদি জমি, রাস্তার পাশে অথবা বালুময় মাটিতে খুব সহজেই বেড়ে ওঠে।
আকন্দ গাছ বীজের মাধ্যমে বংশ বিস্তার করে। ফুল ফোটার পর ফল হয়, আর সেই ফলে থাকা তুলার মতো আঁশে মিশে থাকে বীজ। বাতাসে উড়ে উড়ে এসব বীজ নতুন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে এবং সেখানে নতুন গাছ জন্ম নেয়।
আকন্দ গাছের প্রায় প্রতিটি অংশেই রয়েছে ভেষজ গুণ।
পাতা ও কাণ্ড: ব্যথা উপশমে ব্যবহার হয়। হাড় ভাঙলে বা মচকে গেলে পাতা গরম করে ব্যবহার করা হয়।
মূল: হজমে সহায়ক, অর্শ বা পাইলসে ব্যবহৃত হয়।
দুধ বা রস: খোস-পাঁচড়া, চুলকানি বা চর্মরোগে লাগানো হয় (তবে সাবধানে, কারণ এটি ত্বকে জ্বালাপোড়া করতে পারে)।
ফুল: আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় নানা রোগে ব্যবহৃত হয়।
আকন্দ গাছে পাওয়া যায়:
Alkaloids
Calotropin
Glycosides
Triterpenoids
Latex (দুধের মতো রস)
এসব উপাদান বিভিন্ন ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায়।
আকন্দ গাছের রস সরাসরি ত্বকে লাগলে জ্বালাপোড়া হতে পারে। চোখে গেলে ক্ষতি হতে পারে। তাই ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন জরুরি।
আজকের তোলা ছবিগুলোই প্রমাণ করে আকন্দ ফুল কতটা সুন্দর। তাই শুধু "আগাছা" হিসেবে ফেলে না দিয়ে, যদি এর গুণাগুণ সম্পর্কে জানি ও জানাই, তাহলে হয়তো এই উদ্ভিদও মানুষের উপকারে আসতে পারে।
সড়কে বাড়ছে ভিড় বাড়ছে হাহাকার সচেতনতা ছাড়া উপায় নেই যে আর, ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালকের অদক্ষতা সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা হতাহতের সংখ্যা।
নড়াইলে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন, ভোক্তা সংগঠন ও বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে বাজার মনিটরিং জোরদার, ব্যবসায়িক নৈতিকতা নিশ্চিত এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।
পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ক্রেতাদের ভোগান্তি কমাতে নড়াইল সদরের রূপগঞ্জ বাজারে বাজার তদারকি অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে পরিচালিত এ অভিযানে ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘনের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।