স্টাফ রিপোর্টার ॥ নড়াইলে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে একটি মুখপোড়া হনুমানের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল ৮টার দিকে পৌরসভার দক্ষিণ নড়াইল গ্রামের সৈয়দ আব্দুর রহমানের বাড়ির সামনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ওই হনুমানটি।
প্রত্যক্ষদর্শি আর্টিস সাখি জানান, সকাল ৮টার দিকে আমার ও সৈয়দ আব্দুর রহমান উভয় বাড়ির সামনে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হনুমানটি মাটিতে ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই মারা যায় হনুমানটি। তিনি আরও জানান, প্রায় ২ বছর ধরে ২টি হনুমান একসঙ্গে নড়াইল শহরে বসবাস করে আসছিলো। এরমধ্যে আজ একটি হনুমান মারা যায়। আরও ১টি হনুমান আশেপাশেই রয়েছে।
নড়াইল পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ খন্দকার জানান, হনুমানটি যে স্থান থেকে বিদ্যুপৃষ্ট হয়ে মারা গেছে সেখান থেকে ৫/৬ বাড়ির উত্তর পাশে নড়াইল বন বিভাগের অফিস। আমার বাড়ির দক্ষিণ পাশের বাড়ির সামনের বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হনুমানটি মাটিতে ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। পরে বন বিভাগের লোকজন খবর পেয়ে এসে হনুমানটিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ খবর পেয়ে নড়াইল বন বিভাগের ফরেষ্টার এসকে আব্দুর রশীদ ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং মৃত্যু হনুমানটিকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর প্রাণিসম্পদ অফিসে নিয়ে যান তিনি।
হনুমানটির মৃত্যু ও সংরক্ষণ সম্পর্কে বন বিভাগ নড়াইলে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সহকারি বনসংরক্ষক অমিতা মন্ডল নড়াইলকণ্ঠকে জানান, ‘নড়াইল বন বিভাগের ফরেষ্টার এস কে আব্দুর রশীদ সাহেব আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি খুলনা বন্যপ্রাণি অধিদপ্তরকে জানিয়েছি।
এদিকে হনুমানটির ময়নাতদন্ত শেষে নিয়মানুযায়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
নড়াইলকণ্ঠ : নড়াইলে রুবেলা ও হাম টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৯টায় নড়াইল জেলা হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। জেলার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৭৭ হাজার ৮২২ শিশুকে ৯৬৬টি কেন্দ্রে টিকা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
নড়াইলকণ্ঠ ডেস্ক: নড়াইলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে সৌরবিদ্যুচ্চালিত সেচ পাম্প। প্রতিদিন প্রায় ১২ লাখ লিটার পানি উত্তোলনের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রান্তিক কৃষক স্বল্প খরচে বোরো ধান, ভুট্টা, তিল, পাট ও বিভিন্ন সবজি চাষ করছেন। এতে একদিকে সেচ ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, অন্যদিকে ডিজেল ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থার একটি সফল মডেল তৈরি হয়েছে।